রেইনকোট গল্পের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর (pdf) সহ

 🔰নুরুল হুদাকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তলব করার কারণ মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগী।

🔰রেইনকোট' গল্পে অফিসের জন্য আলমারি কেনা হয়েছিল- ৩টি।

🔰 যার জবানিতে ‘রেইনকোট গল্পের অধিকাংশ ঘটনা বিবৃত হয়েছে- নুরুল হুদা।


🔰রেইনকোট’গল্পে 'আনঅথরাইজড কন্ঠস্ট্রাকশন' বলতে বোঝানো হয়েছে শহীদ মিনারকে। 


🔰রেইনকোট' গল্পে রেইনকোট বহন করেছে— মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।


🔰রেইনকোট' গল্পে মসজিদের মাইক্রোফোন অকেজো ছিল – বিদ্যুৎ না থাকায়।


🔰প্রিন্সিপালের কোয়ার্টার অবস্থিত — মাঠ পেরিয়ে একটু বা দিকে।


🔰মিলিটারি থাকে-- প্রিন্সিপালের কোয়ার্টারের সাথে। 


🔰কলেজের জিমনেশিয়াম এখন ব্যবহৃত হচ্ছে মিলিটারি ক্যাম্প হিসেবে।


🔰রেইনকোট' গল্পের গল্পকথকের স্ত্রীর নাম— আসমা। 


🔰রেইনকোট' গল্পের কলেজটা দখলে আছে—মিলিটারির


🔰ইসহাত লিওগ্রাফির প্রফেসরের বাড়ির দিকে রওনা হয় বেবি ট্যাক্সি করে।


🔰এপ্রিল মাস থেকে ইসহাক কথা বলে- উর্দু ভাষায়। 


🔰রেইনকোট' গল্পে হাঁপানির টান আছে- নুরুল হুদার।


🔰প্রিন্সপাল দিন রাত দোয়া দরুদ পড়ে – পাকিস্তানের জন্য। 


🔰প্রিন্সিপাল স্কুল কলেজ থেকে শহিদ মিনার হটানোর জন্য আবেদন জানায় -এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময় 


🔰গ্রামগঞ্জে গিয়েই পাকিস্তানি বাহিনী প্রথমে কামান তাক করেছে শহিদ মিনারের দিকে। 


🔰নুরুল হুদাকে এক্সট্রা তটস্থ থাকতে হয়- মিন্টুর জন্য।


🔰মিন্টু মগবাজারের দুই কামরার ফ্ল্যাট থেকে চলে যায় – ২৩ জুন ।


🔰মিলিটারি আসার পর থেকে নুরুল হুদা বাড়ি বদল করে -চারবার।


🔰 মিন্টু কোথায় আছে সেটা জানে-নুরুল হুদা ও তার বউ।


🔰আমার ভাইটাকে আর ঢাকায় রাখলাম না”। উক্তিটি-নিচের তলার ভদ্রলোকের।


🔰পাকিস্তানের “ইন্টার্নাল অ্যাফেয়ার' বলতে – বাঙালির উপর নির্যাতন।


 🔰নুরুল হুদার নিচের ফ্ল্যাটে থাকে – ওয়েলডিং ওয়ার্কশপের মালিক।


🔰গোড়ালি পর্যন্ত ঢাকা পড়েছে যে পোশাকে -রেইনকোট। 


🔰মুক্তিযোদ্ধা শ্যালকের রেইনকোট গায়ে দিয়ে সাধারণ ভীতু প্রকৃতির নুরুল হুদার মধ্যে সঞ্চারিত হয়— দেশ প্রেম ও প্রতিবাদী সত্তা।

🔰মেয়ের ঘুম ভাঙা ভাঙা বুলি শুনে নুরুল হুদার অনুভূতি ছিল— চমকে ওঠার মত।


🔰 নুরুল হুদার ছেলের বয়স -৫ বছর।


🔰রেইনকোট' গল্পে রেডিও টেলিভিশনে হরদম বলছিল- সিচুয়েশন নর্মাল ।


🔰মিসক্রিয়ান্ট অর্থ দুষ্কৃতকারী যে অর্থে – হেয় অর্থে।


🔰সাবসার্ভিস অ্যাকটিভিজের সঙ্গে তারা সামহাউ অর আদার ইনভলভড়" উক্তিটি- প্রিন্সিপালের।


🔰 নুরুল হুদা থেকে শত হাত দূরে থাকে—সাবসার্ভিস অ্যাকটিভিটিজ।


🔰মিন্টু দেশের ভিতরে ফিরে এসে- দমাদম মিলিটারি মারে।


আরো পড়তে click করুন


✅অপরিচিতা গল্পের গুরুত্বপূর্ণ mcq (pdf)সহ


✅বিড়াল গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর (pdf)সহ


✅চাষার দুক্ষু গল্পের গুরুত্বপূর্ণ mcq (pdf)সহ


🔰রেইনকোট' গল্পে ব্যবহৃত দ্বিরুক্তি শব্দযুগল-দমাদম টপাটপ ।


🔰টু শব্দটি না করা' বাগধারাটির অর্থ— কোন প্রতিবাদ না করা। 


🔰রেইনকোট' গল্পে “এসব হলো পাকিস্তানের ইন্টারনাল অ্যাফেয়ার" কথাটি বলেছে – কিসিনজার। 


🔰ফওরন' শব্দের অর্থ— তাড়াতাড়ি। 


🔰ছেলেরা কলেজে আসেনা-সব ক্লাস বন্ধ বলে।


🔰ক্লাস বন্ধ হলেও মাস্টারদের কলেজে আসতে হয়— হাজিরা দিতে হয় বলে।


🔰 নুরুল হুদার কলিগরা ফিসফিস করে – মিলিটারির সামনে।


🔰হিন্দুস্তান ও মিসক্র্যিান্টদের অবশ্যম্ভাবী পত্তন সম্বন্ধে ভবিষদ্বাণী করে – প্রিন্সিপাল।


🔰যে ঘরে আজকাল কেউ ঘেঁসে না- ড. আফাজ আহমেদের ঘরে।


🔰কলেজের উর্দু প্রফেসরের নাম- আকবর সাজিদ।


🔰নুরুল হুদা বৃষ্টিতে রিকশার পরোয়া করে না -রেইনকোট গায়ে আছে বলে ।


🔰রেইনকোট পড়ে নুরুল হুদা হাটে- হনহন করে।


🔰যে ঋতুর শেষের বৃষ্টিতে নুরুল হুদার শীত শীত ভাব হয়—শেষ হেমন্তে।


 🔰পিওন তাদের মিসক্রিয়ান্টদের লোক ভাবে নাকি? এই বাক্যে 'মিসক্রিয়ান্ট' বলতে বোঝকনো হয়েছে- -মুক্তিযোদ্ধাদের।


🔰একটু বাচা। টাইপের লোক— দোকানদার ছেলেটা। 


🔰রেইনকোট' গল্পের কলেজের প্রিন্সিপালের নাম- ড. আফাজ আহমেদ।


🔰 বাস থেকে নেমে যাওয়া দুজন যাত্রীকে নুরুল হুদার কাছে মনে হয়-- ক্রিমিনাল।


🔰নামার সময় ক্রিমিনাল দুজনের একজন নুরুল হুদার দিকে পেছন ফিরে তাকাল।


🔰যে বাসস্টপেজে ঝিরঝির বৃষ্টিতে দাঁড়িয়ে বেশ কয়েকজন মানুষ অপেক্ষা করছিল  - আসাদ গেটে।


🔰বাসে যেতে যেতে নুরুল হুদার এক্সটা  ভাল লাগে ট্রান্সপারেন্ট দেখে।

 🔰নুরুল হুদার সমস্ত ভাল লাগাটা চিড় খায়-- হঠাৎ বাস ব্রেক কষলে।


🔰ক্র্যাক ডাউনের রাত কেটে ভোর হলে মিলিটারির গুলিতে ছাদ থেকে পড়ে যায়- মসজিদের মোয়াজ্জিম সাহেব।


🔰দ্বিতীয়বার আল্লাহর মহত্ত্ব ঘোষণা করার সুযোগ তার আর মিলেনি" যার সম্পর্কে বলা। হয়েছে—মোয়াজ্জিনের।


🔰মিলিটারি যাবতীয় গাড়ি থামিয়ে- প্যাসেঞ্জারদের তল্লাশি করছে।

 🔰নুরুল হুদা যে বাসে চড়ে সেই গাড়িতে যেমন আকৃতির মিলিটারি উঠল লম্বা ও খুব ফরসা। 


🔰ছুঁচালো চোখের মণি কাঁটার মতো বিধে যায় তার মুখে” যার চোখের মণির ইঙ্গিত করা হয়েছে— মিলিটারির।


🔰আগে বাড়ো” ড্রাইভারকেএই নির্দেশ দেয়-মিলিটারি।


🔰নুরুল হুদা বাস থেকে নামে—নিউমার্কেটে । 


🔰প্রিন্সিপালের সিংহ মার্কা চেয়ারে বসে রয়েছে— জাঁদরেল টাইপের এক মিলিটারি পান্ডা।


🔰জাদরেল টাইপের মিলিটারি পান্ডাকে দেখে -প্রিন্সিপালের কালো মুখটা বেগুনি হয়।


🔰সেনাবাহিনীকে নিয়ে মজা করে শায়েবি করা খুব বড় অপরাধ” মিলিটারি এ কথাটি বলে- লিপিশালকে।


🔰আর ইউ এ স্পাই' বলতে বুঝাই — গুপ্তচর। 


🔰চোখ বেঁধে দেওয়া হয়েছিল — নুরুল হুদার ও আব্দুস সাত্তার মৃধার ।


🔰কিছুদিন আগে কলেজে মোট আলমারি কেনা হয়েছে—দশটি।


🔰 কলেজে কেনা আলমারিগুলো যে গাড়ি করে নিয়ে আসা হয়— ঠেলাগাড়ি।


🔰মিসক্রিয়ান্টরা কলেজে ঢুকছিল – কুলির ছদ্মবেশে। 


🔰মিসক্রিয়ান্ট কুলি গ্রামের সক্রিয় সদস্য হিসাবে নাম বলেছে—নুরুল হুদার।


🔰কেমিস্ট্রি ডিপার্টমেন্টে আলমারি সাজানোর সময় যে ঋতু চলছিল-বর্ষা। 


🔰“বর্ষাকালই তো জুৎ" উক্তিটি-একজন কুলির।


🔰বাংলার বর্ষা তো শালারা জানে না রাশিয়ায় ছিল জেনারেল উইন্টার আমাদের জেনারেল মনসুন। কথাটি বলেছিল—স্টাফরুমের কলিগ।


🔰মিলিটারি নুরুল হুদাকে একই প্রশ্ন করে জবাব না পেয়ে মুখে ঘুষি মারে।


🔰মিসক্রিয়ান্টদের আস্তানা জানা আছে কিনা এ প্রসঙ্গে ফের জিজ্ঞেস করলে নুরুল হুদা উত্তর দেয়—হ্যাঁ।


🔰মিসক্রিয়ান্টদের ঠিকানা বলে দেওয়ার কথায় নুরল হুদাকে মিলিটারিরা - পাউরুটি দুধ খাওয়ায়।


🔰মিলিটারিরা নুরুল হুদার বেঁটে খাটো শরীরটাকে ছাঁদে লাগানো আংটার সাথে ঝুলিয়ে দেয়।


🔰সপাৎ সপাৎ চাবুকের বাড়িকে নুরুল হুদার মনে হচ্ছে— যেন বৃষ্টি পড়ছে মিন্টুর রেইনকোটের উপর।


🔰রেইনকোট' গল্পের প্রেক্ষাপট – ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ।


🔰সে ঋতুর নাম রেইনকোট গল্পে উল্লিখিত হয়েছে- হেমন্ত। 


🔰সাবসার্ভিস,অ্যাক্টিভিটিজ'বলতেবোঝায়-রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম।


🔰রেইনকোট' গল্প বর্ণিত হয়েছে—চরিত্রের দৃষ্টিকোণ থেকে।


🔰নুরুল হুদার চতুর্থ বাড়ির জানালা আছে-পূর্ব দিকে। 


🔰রেইনকোট' গল্পে যে বারের উল্লেখ নেই— রবিবার।


🔰রেইনকোট' গল্পে পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা বলা হয়েছে— শহিদ মিনারকে।


🔰এই কয়েক মাসে কত সুরাই সে মুখস্ত করেছে" এখানে 'সে' দ্বারা বোঝানো হয়েছে—নুরুল হুদাকে


🔰রেইনকোট' গল্পে মিলিটারি বাহিনীর নেতৃত্বে আছেন—কর্নেল সাহেব।


🔰বাতাস আর বৃষ্টির ঝাপটার সঙ্গে ঘরে ঢোকে — প্রিন্সিপালের পিওন।


🔰নুরুল হুদা নিয়মিত পড়ে—জুমার নামাজ। 


🔰তুমি বরং মিন্টুর রেইনকোটটা নিয়ে যাও" উক্তিটি যাকে উদ্দেশ্য করে- আসমা 


🔰রেইনকোট' গল্পটি প্রকাশিত হয়—১৯৯৫ সালে।


🔰নুরুল হুদাকে মিলিটারিরা ঘুষি দেয়— ২টি, 


🔰যে বাক্যের মাধ্যমে 'রেইনকোট' গল্পের শুরু – ভোররাত থেকে বৃষ্টি।


🔰রাশিয়ায় ছিল জেনারেল উইন্টার আর আমাদের জেনারেল – মনসুন।


🔰রেইনকোট' গল্পের প্রিন্সিপালের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য শব্দ— সুবিধাবাদী।


🔰ইলেকট্রিক ট্রান্সফর্মারটি ঘেঁষে ছিল – কলেজের সামনের দেয়াল।


🔰 নুরুল হুদা যে বিষয়ের লেকচারার — কেমিস্ট্রি।


🔰বর্তমানে ইসহাককে চালিয়ে দেয়া যায়— মিলিটারির কর্নেল বলে।

🔰প্রিন্সিপালের কোয়ার্টারের সঙ্গে ছিল – মিলিটারি ক্যাম্প।


🔰রেইনকোট খুলে ফেললেও নুরুল হুদার শরীরে অনুভূতি হয়— রেইনকোটের ওম।


🔰ড. আফাজ আহমদের গলার স্বর—খ্যাসখ্যাসে।


🔰বাস থামার সঙ্গে সঙ্গে তিনটি ক্রিমিনাল নেমে পড়ে—ভয়ে।


🔰মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি মিলিটারির যে দিকটি প্রকাশ পেয়েছে—পৈশাচিক আচরণ।


🔰রেইনকোট' গল্পে বৃষ্টি শুরুর কথা বলা হয়েছে—ভোর রাত থেকে।


🔰এপ্রিলের শুরু থেকে বাংলা ছেড়েছে— ইসহাক।


🔰নুরল হুদা রেইনকোট পরেছিল — বৃষ্টি হতে রেহাই পাবার জন্য।

🔰রেইনকোট' গল্পে মুক্তিযোদ্ধারা যার বাড়ির গেটে বোমা ফেলেছিল—-ড. আফাজ আহমদ।


🔰মিসক্রিয়ান্ট' শব্দের অর্থ—দুষ্কৃতিকারী।


🔰পিওনকে দেখে সবাই তটস্থ কারণ – মিলিটারির সাথে সুসম্পর্ক বলে ।


🔰মিলিটারি থাকে- প্রিন্সিপালের কোয়ার্টারের সাথে।


🔰মিন্টু কোথায় আছে সেটা জানে— নুরুল হুদা ও তার বউ।










Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url