চাষার দুক্ষু প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন (pdf) সহ

🔰চাষার দুক্ষু-একটি প্রবন্ধ ।

🔰চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক প্রত্যাশা করেছেন- দেশি শিল্পসমূহের পুনরুদ্ধার।


🔰বেগম রোকেয়া চাষাদের আখ্যায়িত করেছেন- অভাগা হিসেবে।


🔰চাষার দুক্ষু প্রবন্ধে লেখিকার মতে অনুকরণ প্রিয় হিসেবে গণ্য- চাষারা


🔰চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে উল্লেখ আছে— কলকাতা শহর। 


🔰রংপুর অঞ্চলের পুরুষেরা পরিধান করত- কৌপীন ।


🔰ধান্য তার বসুন্ধরা যায় 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে এ কথার মাধ্যমে ফুটে উঠেছে- আধিপত্যবাদ।


🔰চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে কৃষক তার পত্নী কন্যা বিক্রি করত- দুই সের খেসারির বিনিময়ে।


🔰চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে কবিতাংশের ব্যবহার আছে-৫টি। 


🔰মসলিন কাপড়-ঢাকা অঞ্চলের।


🔰চাষাই সমাজের মেরুদ' বিষয়টিতে ফুটে উঠেছে- কৃষক নির্ভরতা।


🔰চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে আমাদের রাখবার স্থান নেই-ঐশ্বর্য।


🔰এন্ডি' বলতে বোঝায়- মোটা রেশমি কাপড়।


🔰 বায়স্কোপ' অর্থ— চলচ্চিত্র।


🔰চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধ উল্লেখ আছে— ইউরোপ মহাদেশের।


🔰চাষাদেরকে বলা হয় -সমাজের মেরুদণ্ড।


🔰উৎকৃষ্ট স্বচ্ছ কাচের তৈরি চুড়ি-বেলোয়ারের চুড়ি।


🔰টেকো' অর্থ- সুতা পাকাবার যন্ত্র। 


🔰ত্যানা' অর্থ— কাপড়ের টুকরা।


🔰ছেইলা' অর্থ- ছেলে।


🔰চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধ অনুসারে ভারতবাসী ধীরে ধীরে সভ্য থেকে সভ্যতর হয়েছে— শিক্ষা ও সম্পদ লাভের

মাধ্যমে।


🔰আমরা অন্যান্য জাতির সমকক্ষ হতে চলেছি— শিক্ষা, সম্পদে।


🔰চাষার ছেলে পায় না- দানা ।


🔰অট্টালিকার চূড়ায় দেখা যায়— বড় বড় ঘড়ি।


🔰খাদ্যদ্রব্যে ভেজালের বাড়াবাড়ি দেখা যায় বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায়।


🔰রোকেয়ার মতে, কেবল যে অংশ্ট গোটা ভারতবর্ষ নয়- কলিকাতা অঞ্চলটুকু - কতিপয় সৌভাগ্যশালী ধনাঢ্য ব্যক্তি সমস্ত ভারতবর্ষের অধিবাসী নহে।


🔰কৌদীন' শব্দের অর্থ- চীন। 


🔰ভারতবাসী অসভ্য বর্বরত ছিল— দেড়শত বৎসর পূর্বে।


🔰লেখিকা 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে আগে সমাজের ভালোর দিকটা দেখিয়েছেন— মন্দ দিক আগে দেখালে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারে এ জন্য।


🔰এসব কি সভ্যতার নিদর্শন নহে?” -এ কথা বলা হয়েছে— শহুরে জীবন সম্পর্কে।


🔰চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধ অনুসারে নবাবি হলে থাকতো-জুট মিলের কর্মচারীরা।


🔰আল্লাহ তা'লা এতো অবিচার কী রূপে সহ্য করিতেছে? ভারতবর্ষের চাষিদের দুরবস্থা দেখে।


🔰লেখিকা সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা বলেছেন বঙ্গভূমিকে।


🔰চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধ অনুসারে বঙ্গদেশের চাষা সম্পর্কে যুক্তিযুক্ত উক্তি হল তাদের জীবন দুঃখময়।


🔰ধান্য তার বসুন্ধরা যার"-এ কথার লেখক- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।


🔰এদেশের চাষারা পুড়ে মরে- ক্ষেতে ক্ষেতে। 


🔰কেবল হাল বহন করে- চাষা।


🔰চাষারা কেবল উৎপাদন করে-পাট।


🔰চাষার ঘরে "মরাহ ভরা ধান ছিল" এ কথার মধ্য দিয়ে বোঝানো হয়েছে- চাষিদের সচ্ছলতা। 


🔰 চাষার ঘরে ধান ছিল-মরাই ভরা। 


🔰পূর্বে ওসব ছিল, এখন নাই।” এ কথা বলা হয়েছে— চাষাদের সচ্ছলতা প্রসঙ্গে।


🔰পখাল মানে- পাস্তা ভাত। 


🔰যে আমরা সভ্য হইয়াছি” আলোচা বাক্যে লক্ষণীয় লেখিকার- ব্যঙ্গ মনোভঙ্গি।


🔰চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে লেখিকা উল্লেখ করেছেন -ইউরোপের মহাযুদ্ধের সাত বছরের ঘটনা।


🔰৫০ বছর পূর্বেও চাষার অবস্থা কি ভালো ছিল?” লেখিকার এ কথা প্রমাণ করে- বাংলার চাষারা চিরকালই দরিদ্র।


🔰চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে লেখিকা বাল্যকালে শুনেছেন টাকায় সরিষার তেল পাওয়া যেত-আট সেৱ।


🔰মাথায় প্রায় আধ পোয়াটাক তেল লাগত-জমিরনের। 


🔰পখাল ভাতের সাথে লবণও জুটাতে পারত- না সাত ভায়া গ্রামের লোকেরা।


🔰চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে পখাল ভাতের সাথে উৎকৃষ্ট ব্যঞ্জন— শুটকি মাছ।


🔰জমিরনকে মাথা ঘষতে নিয়ে যাওয়া হতো-রাজবাড়ি।


🔰জমিরনের মা যখন কন্যার তেল জুটাতে পারতেন না, তখন এক সের তেল পাওয়া যেত— দুই গণ্ডা পয়সায়।


🔰জমিরনের মাথায় তেল দেওয়ার জন্য তাকে রাজবাড়িতে নিয়ে যাওয়া প্রমাণ করে -কৃষকের দারিদ্র্যতা 


🔰কণিকা রাজ্য অন্তর্গত— উড়িষ্যা প্রদেশের।


🔰কণিকা রাজ্যের কৃষকরা লবণ ছাড়া অন্য কোন উপকরণ সংগ্রহ করতে পারত না পান্তা ভাতের সাথে।


🔰চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক দুঃখ-দুর্দশা বর্ণনা

করেছেন— চাষীদের।


🔰শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড" এই সার্বজনীন কথার বিপরীতে অন্য একটি তথ্য পাই- চাষার দুক্ষু প্রবন্ধে।


🔰পাছায় ত্যানা জোটে না— পাট উৎপাদক কৃষকদের।


🔰সমুদ্র জলে চাউল ধুয়ে খেত— সাত ভায়ার লোকেরা । 


আরো পড়ুন -



🔰বিচালি বলতে বোঝায়— পোয়াল খড়।


🔰 ৩০-৩৫ বছর পূর্বে কণিকা রাজ্যে টাকায় চাল পাওয়া যেত- ২৫-২৬ সের।


🔰কৃষকরা শুধু নানা ধরনের সবজি সিদ্ধ করে খেত- রংপুর অঞ্চলের।


🔰রংপুর জেলায় কৃষকরা শুধু নানা ধরনের সবজি সিদ্ধ করে খেত ভাতের অভাবে।


🔰রংপুর জেলার কোনো কোনো গ্রামের লোকেরা স্ত্রীলোকদের জন্য কাপড় সংগ্রহ করত- ৮ কিংবা ৯ হাত। 


🔰পুরুষেরা কৌপীন ধারণ করত— কাপড়ের অভাবে।


🔰কৃষকরা শীতকালে দিবাভাগ মাঠে মাঠে রৌদ্র যাপন করত -শীতের কাপড়ের অভাবে।


🔰রংপুর জেলার কোনো কোনো গ্রামের লোকেরা শীতকালে রাতের বেলায় আগুন পোহার-পাট খড়ি জ্বেলে ।


🔰রংপুর জেলার লোকেরা শীতকালে শয়ন করত— বিচালী শয্যায় । 


🔰ধান ও পাটের জন্য বিখ্যাত - রংপুর।


🔰 ইউরোপীয় মহাযুদ্ধের সাথে চাষার দারিদ্রের সম্পর্ক- অতি অল্প।


🔰রংপুর জেলার কোনো কোনো গ্রামের লোকেরা টাকায় ২৫ সের চাউল পাওয়ার সময়টাতে থাকতেন— পেট ভরে না খেয়ে।


🔰এ কঠোর মহীতে শুধু সহিতে এসেছে— চাষা। 


🔰বাংলার কৃষকদের যে সমৃদ্ধির কথা মুখে মুখে প্রচলিত লেখিকা সেটিকে মনে করছেন-শতাধিক বছর আগের অবস্থা।


🔰শতাধিক বছর পূর্বে বাড়ির সকলের জন্য কাপড় প্রস্তুত করত— কৃষক রমণী।


🔰 শতাধিক বছর আগে কৃষকদের বস্ত্রের অভাব ছিল  না- ঘরেই কাপড় তৈরি হতো বলে।


🔰সমস্ত পৃথিবীকে সর্বশান্ত করেছে— ইউরোপের মহাযুদ্ধ। 



🔰কৃষক রমণী চরকায় সুতা কাটত ।


🔰রংপুর ও আসাম জেলায় স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত রেশমকে বলা হতো— এতি।


🔰এন্ডি রেশমের গুটি থেকে সুতা কাটা ছিল— অতিসহজ।


🔰চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে 'তদ্দেশবাসিনী' শব্দটি দিয়ে বোঝানো হয়েছে— আসাম ও রংপুর জেলার মহিলাদে


🔰তদ্দেশবাসিনী রমণীদের একচেটিয়া অধিকারে ছিল- রেশমশিল্প।


🔰বেশ গরম ও দীর্ঘকাল স্থায়ী হতো— এন্ডি কাপড়। 


🔰রংপুর ও আসামের রমণীরা এক সময় ব্যস্ত থাকত - রেশম সুতা কাটায়।



🔰সেকালে রমণীরা হেসে খেলে — বস্ত্রের চাহিদা পূরণ করত।


🔰 ফ্লানেল অপেক্ষা দীর্ঘস্থায়ী — এন্ডি কাপড়।


 

🔰ফ্লানেল ও এন্ডি কাপড়ের মূল পার্থক্য— স্থায়ীত্বে।


🔰চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে উল্লিখিত শতাধিক বছর পূর্বে বস্ত্রের সমস্যা না থাকার কারণ- অন্যের


🔰ওপর নির্ভরশীল না হওয়া। - চাষারা এক সময় কাঙ্গাল ছিল না — অন্ন বস্ত্রের।


🔰শতাধিক বছর পূর্বে চাষা অন্ন-বস্ত্রের কাঙাল ছিল না - স্বনির্ভর ছিল বলে । 



🔰এখন চাষাদের পেটে ভাত না থাকার কারণ হিসেবে লেখিকা দেখিয়েছেন— চাষারা সভ্য হয়েছে।


🔰কৃষক শ্রেণিরা আজ চরকা নিয়ে ধর্থর করে না-সুলভ মূল্যে রঙিন মিহি কাপড় পাওয়া যায় বলে।



🔰পত্নীবাসিনীদের দরিদ্রের মূল কারণ=বিদাসিতা। 


🔰পল্লীবাসিনীগণ বর্ণহীন এন্ডি কাপড় ব্যবহার করে না—বিচিত্র বর্ণের জুট ফ্লানেল পাওয়া যায় বলে।


🔰লেখিকা 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে জোর নিয়েছেন – কার্পাস চাষের উপর ।


🔰পল্লীবাসিনীরা এখন আর কষ্ট করে ক্ষার প্রস্তুত করে না।



🔰মুটে মজুররা ট্রামে চড়তে চায়, কারণ— তাদের কাছে প্রথম দৃষ্টিতে ট্রামের ভাড়া অল্প বলে সুলভে সোডা পাওয়া যায় বলে।



🔰এক সময় অসভ্য বর্বর ছিল— চাষারা।


🔰চাহারা এখন সভ্য হয়েছে। শিরে বাঁকা তাজ দিয়ে এখন টাক ঢেকে রাখে— চাষারা ।


🔰পূর্বে পল্লিবাসিনীগণ কাপড় কাচত – ক্ষার প্রস্তুত করে। 


🔰পেটে ভাত নেই— চাষাদের।


🔰ট্রামে যেতে আসতে মুটে মজুরদের লেগে যায়— দশ পয়সা।



🔰দারিদ্র দূর হবে -গ্রামে গ্রামে পাঠশালা প্রতিষ্ঠিত হলে।


🔰আমরা সুসভ্য হয়ে ত্যাগ করেছি—এন্ডি কাপড় । 



🔰বিলাসিতার সাথে সাথে চাষা সমাজের মাথায় চেপেছে— অনুকরণপ্রিয়তা।


🔰চটকল-পাটকলের কর্মচারীরা নবাবি হালে থাকে-কারণ তারা ভালো বেতন পায় ।



🔰যারা ধান ভানে তাদের অভিহিত করা হয়— ভারানি বলে ।


🔰আমরা এন্ডি কাপড় পরিত্যাগ করেছি— সুসভ্য হওয়ার কারণে।


🔰ইউরোপীয় নর-নারীদের বর-অঙ্গে শোভা পেতে লাগল এন্ডি কাপড়— আাসাম সিল্ক নামে অভিহিত হয়ে।


🔰এখন আর হোয়াইট অ্যাওয়ে লেডেল'র দোকানে আসাম সিল্ক পাওয়া যায় না— পল্লিবাসিনীর এন্ডি পোকা প্রতিপালন না করায়। 


🔰দেশি রেশমি রুমালের জন্মস্থান আবিষ্কার করেছিলেন লর্ড কারমাইকেল।


🔰সভ্যতা বিস্তারের সাথে সাথে দেশি শিল্প=ক্রমশ বিলুপ্ত হয়েছে।


🔰পরিগ্রামের দুর্গতির প্রতি দৃষ্টি পড়েছিল=দেশবন্ধুর ।


 

🔰সময় বঙ্গ দেশের বস্ত্র ক্রমশ লাঘব হবে আসাম এবং রংপুরবাসিনী ললনাগন=এন্ডি পোকা পালনে তৎপর হলে


🔰পরিগ্রামে চেষ্টা হওয়া চাই=সুশিক্ষা বিস্তারের।



Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url