মহাজাগতিক কিউরেটর গল্পের অনুধাবনমূলক ও সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তরসহ (+pdf)
🔰সব প্রাণীর ডিএনএ তৈরি হয়— একই বেস পেয়ার দিয়ে।
🔰পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জাতি পিঁপড়কে বলা হয়েছে— পরিশ্রমী, সুশৃঙ্খল সামাজিক প্রাণী বলে ।
🔰মহাজাগতিক কিটোরদের কাজটিসহজনয়,কারণ— সব গ্রহ থেকে সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাণীগুলো-সংগ্রহ করতে হবে বলে ।
🔰ভাইরাস ব্যাকটেরিয়ার নমুনা সংগ্রহ না করার কারণ— এদের মাঝে কোনো বৈচিত্র্য নেই।
🔰যাদের সংরক্ষণ করা অনেক কঠিন হবে—হাতি বা নীল তিমি ।
🔰প্রথম কিউরেটরের পাখিকে পছন্দ করা -ওড়ার ক্ষমতা
🔰পঞ্চ হওয়া সত্ত্বেও পানির নমুনা না নেওয়ার কারণ- পাখিদের বুদ্ধি সম্পর্কে নিশ্চত।
🔰কুকুর প্রাণীটির নমুনা সংগ্রহ না করা- একীয়তা হারিয়েছে।
🔰হরিণ একটি- তৃণভোজী প্রজাতির প্রাণী।
🔰 কিউরেটরদের কুকুর পছন্দ হওয়ার কারণ- এরা দল বেধে ঘুরে বেড়ায়।
🔰অন্যান্য প্রাণী থেকে মানুষ আলাদা-বুদ্ধিবিবেচনায়।
🔰মানুষ নগর তোর করেছে— সভ্যতার বিকাশের জন্য।
🔰ধীরে ধীরে শেষ হয়ে যাচ্ছে বাতাসের — ওজোন স্তর।
🔰 মানুষ জন্ম নিয়েছে—দুই মিলিয়ন বছর আছে,
🔰 মানুষ নিজেদের বিপন্ন করেছে- আত্মকেন্দ্রিকতার কারণে।
🔰পিঁপড়া ওজন বহন করতে পারে নিজের শরীরের — দশগুণ বেশি।
🔰 আগে থেকেই খাবার জমিয়ে রাখে- পিঁপড়া।
🔰নিউক্লিয়ার বোমা বলতে বোঝায় – পারমাণবিক বোমা।
🔰কিউরেটরগণ শঙ্কিত মানুষের বুদ্ধিহীনতার কারণে।
🔰প্রাণীর বিকাশের নীল নকশা তৈরি করে রাখা আছে— DNA দিয়ে।
🔰গল্পটিকে বিশিষ্ট করে তুলেছে— তীব্র শ্লেষ ও পরিহাসের মিশ্রণ।
🔰পিঁপড়া এক সময় পৃথিবীকে নিয়ন্ত্রণ করবে তারা সুশৃঙ্খল বলে।
🔰মহাজাগতিক কিউরেটর- বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী।
🔰ওজোন স্তর আমাদের রক্ষা করে- সূর্যের ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মি থেকে।
🔰এদের কেউ শ্রমিক, কেউ সৈনিক, কেউ বুদ্ধিজীবী- একথা বলা হয়েছে— মানুষ সম্পর্কে।
🔰‘মহাজাগতিক কিউরেটর রচনায় মানুষের চেয়ে পিঁপড়াকে গুরুত্ব দেওয়ার কারণ-সুবিবেচনা হওয়ায় ।
🔰মহাজাগতিক কিউরেটর' রচনায় উল্লেখ আছে- নিউক্লিয়ার বোমা।
🔰মহাজাগতিক কিউরেটর' রচনা অনুসারে মানুষ প্রকৃতিকে ধ্বংস করেছে।
🔰মহাজাগতিক কিউরেটর' গল্পে প্রাণীর বুদ্ধিমত্তার চিহ্ন দ্বারা বোঝানো হয়েছে সভ্যতা।
🔰পিঁপড়াদের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ নেই- সামাজিক ও একতাবদ্ধ বলে।
🔰'কিউরেটর' শব্দের অর্থ— জাদুঘর রক্ষক।
🔰'মহাজাগতিক কিউরেটর রচনা অনুসারে তেমন কোনো বৈচিত্র্য নেই— ব্যাকটেরিয়ার।
🔰'মহ জাগতিক কিউরেটর' গল্পটি অন্তর্গত— 'জলজ' গ্রন্থের।
🔰মহাজাগতিক কিউরেটর' গল্পে প্রাণের শুরু হয়েছে- ভাইরাস থেকে।
🔰ওজোন স্তর ধ্বংস করছে— কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস।
🔰DNA এর পূর্ণরূপ— Deoxyribo Nucleic Acid.
🔰'মহাজাগতিক কিউরেটর' গল্পে সবচেয়ে বুদ্ধিমান প্রাণী — মানুষ।
🔰সরীসৃপের দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত নয়।
আরো পড়তে click করুন
✅অপরিচিতা গল্পের গুরুত্বপূর্ণ mcq (pdf)সহ
✅বিড়াল গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর (pdf)সহ
✅ চাষার দুক্ষু গল্পের গুরুত্বপূর্ণ mcq (pdf)সহ
🔰এখানে প্রাণের বিকাশ হয়েছে। সৌরজগতের— তৃতীয় গ্রহে।
🔰মহাজাগতিক কিউরেটরদের মতে একা একা থাকতে পছন্দ করে— বাঘ।
🔰দুজন কিউরেটরদের সংলাপের মধ্য দিয়ে 'মহাজাগতিক কিউরেটর' গল্পটি লাভ করেছে— নাট্যগুণ।
🔰ডাইনোসরের যুগ থেকে বেঁচে আছে—পিঁপড়া ।
🔰পিঁপড়ারা খাবার জমিয়ে রাখে— সুবিবেচক বলে।
🔰মহাজাগতিক বলতে বোঝায়— মহাজগৎ সম্বন্ধীয় ।
🔰মহাজাগতিক কিউরেটরদের পৃথিবীতে আসার কারণ- শ্রেষ্ঠ প্রাণীর নমুনা সংগ্রহ।
🔰পৃথিবী নামক গ্রহটি খুঁটিয়ে দেখে তারা সন্তুষ্ট হলো।
🔰'গ্যালাক্সি' শব্দের অর্থ— ছায়াপথ।
🔰প্রথম কিউরেটর জানাল পৃথিবীতে বিকাশ ঘটেছে— প্রাণের।
🔰না আসলে এটি জটিল প্রাণ নয়, খুব সহজ এবং সাধারণ' উক্তিটি— দ্বিতীয় প্রাণীর ।
🔰প্রকৃতপক্ষে আলাদাভাবে প্রাণহীন বলা যায়- ভাইরাসকে।
🔰বেঁচে থাকার পদ্ধতি ভিন্ন পানিতে বসবাসকারী প্রাণীদের অত্যন্ত নিম্নশ্রেণীর বুদ্ধির বিকাশ ঘটেছে- উষ্ণ রক্তের স্তন্যপায়ীদের।
🔰 “কোথাও কোথাও প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে”–মানুষ।
🔰পৃথিবীর ভিন্ন ভিন্ন প্রাণীর মধ্যে নেই— মৌলিক পার্থক্য।