রজব মাসের ফজিলত ও আমল

 

রজব মাসের ফজিলত ও আমল

Image source

➤ফজিলত

রেসালায়ে ফাজায়েলুশ শুহুর কিতাবে উল্লেখ আছে, রজব মাসের প্রত্যেক শুক্রবার জুমআর নামায ও আসরের নামাযের মধ্যবর্তী সময় এক নিয়তে চার রাকআত নফল নামায পড়া যায়। উহার প্রতি রাকআতে সূরা ফাতিহার পরে আয়াতুল কুরসী সাতবার ও সূরা ইখলাস পাঁচ বার পড়তে হয়। এই নামাযে অনেক সাওয়াব নসীব হয় নামাযের পরে নিম্নোক্ত দোয়া ২৫ বার পড়বে ।


لا حول ولا قوة الا با الله العلى العظيم - উচ্চারণঃ-লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আযীম । তারপর একশতবার তাওবায়ে এস্তেগফার পড়ে পুনঃ একশত বার যে কোন দরূদ শরীফ পাঠ করে নিজের উদ্দেশ্য সম্পর্কে মুনাজাত করবে । লাইলাতুর রাগায়েব :


মাশায়েখগণ রজব মাসের প্রথম বৃহস্পতিবারের রাত্রিকে লাইলাতুর রাগায়েব বলে অভিহিত করেছেন। এই রাতে দুই রাকআতের নিয়তে বার রাকআত নামায আদায় করা যায় । ইহার প্রতি রাকআতে সূরা ফাতিহার পর সূরা কদর তিনবার ও সুরা ইখলাস ১২ বার পাঠ করতে হয়। নামায শেষ করে নিম্নোক্ত দরূদ শরীফ ৭ বার পাঠ করবে। দরূদ


(۱) اللهم صل على محمدن النبي الأمي وأله وسلم উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিন নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি ওয়া আলিহী ওয়া সাল্লিম । অতঃপর তাকবীর বলে সিজদায় গিয়ে নিম্নোক্ত দোয়াটি ৭০ বার পাঠ করবে।


(۲) سبوح قدوس ربنا ورب الملائكة والروح


উচ্চারণ : সুব্বুহুন কুদ্দুসুন রাব্বুনা ওয়া রাব্বুল মালাইকাতি ওয়াররূহ ।” তারপর নিম্নোক্ত দোয়াটি ৭০ বার পাঠ করবে।


(۳) رب اغفر وارحم وتجاوز عما تعلم فانك انت العلى العظيم উচ্চারণ : রাব্বিগফির ওয়ারহাম ওয়া তাজাওয়ায় আম্মা তা'লামু ফাইন্নাকা আন্তাল আলিয়্যুল আযীম ।


অতঃপর সিজদায় গিয়া ৭০ বার দ্বিতীয় দোয়াটি পাঠ করবে। সিজদাহ হতে বসে ৭০ বার তৃতীয় দোয়াটি পাঠ করবে। তারপর নিজের উদ্দেশ্য সম্পর্কে আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করবে। ইশার পূর্বে এই নামায আদায় করে দোয়া প্রার্থনা করতে হবে ।


➤শবে এস্তেফ্‌তাহঃ


রজম মাসের ১৫ই রাত্রিকে শবে এস্তেফতাহ বলা হয়। এই রাত্রির নফল নামাযে অসংখ্য নেকী লাভ হয় এবং জীবনের অনেক আশা পূর্ণ হয় । এই রাত্রিতে গোসল করে দুই রাকাআতের নিয়তে আট রাকাআত নামায আদায় করা যায় । উহার প্রতি রাকআতে সূরা ফাতিহার পরে তিনবার করে সূরা ইখলাস পড়তে হয় । এই নামায আদায়কারী বহু পুণ্য লাভ করবে এবং সৌভাগ্যবান ও সম্পদশালী হবে। এই দিবসে রোযা রাখলে অধিক পুণ্য লাভ হয় ।


➤শবে মি'রাজ :


রজব মাসের ২৭ তারিখের রাত্রকে শবে মি'রাজ বলা হয় । এই রাত্রে হযরত নবী করীম (স) আসমানে গমন করেন। আল্লাহর সহিত সাক্ষাৎ লাভ করে উর্ধ্বলোকের বহু রহস্য অবগত হয়ে পৃথিবীতে প্রত্যাবর্তন করে ছিলেন । এই রাত্রে দুই রাকাআত দুই রাকাআত করে মোট চার রাকআত নামায আদায় করা যায় । উহার প্রত্যেক রাকআতে সূরা ফাতিহার পর সূরা ইখলাস পড়তে হয় । দুই রাকআত নামায শেষ করে ২০০ বার করে দরূদ শরীফ পাঠ করে মুনাজাত করতে হয় । এই নামাযীর ঈমান মজবুত হয় এবং অশেষ নেকী লাভ হয় ।



নষ্টারডেমাস এর ভবিষ্যদ্বাণী ? নাকি আবু হুরায়রা রা. এর পাণ্ডুলিপি !

মৃত ব্যক্তির গোসলের নিয়ম-পুরুষ নারী শিশুর কাফন-জানাযার নামাজের শর্ত-

খোরাসানের কালো পতাকাবাহী বাহিনী

রুহ কি ? রূহু শব্দের তাৎপর্য-

সূরা মূলক এর ফজিলত

সরা ইখলাসের ফজিলত


Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url